Description
COSRX AHA/BHA Clarifying Treatment Toner
COSRX AHA/BHA Clarifying Treatment Toner Benefits
COSRX AHA/BHA Toner-এর বেশ কিছু ভালো বেনিফিট আছে, আর এগুলোর বেশিরভাগই স্কিনকে আলতোভাবে এক্সফোলিয়েট করা আর পোরস পরিষ্কার রাখার সাথে সম্পর্কিত। এতে খুবই মাইল্ড বোটানিক্যাল ওয়াটার আর অল্প পরিমাণ অ্যাকটিভ অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়েছে, তাই স্কিনকে ড্রাই না করেই এগুলো কাজ করতে পারে।
কি কি বেনিফিট?
স্কিনের টেক্সচার স্মুথ করে – স্কিনের উপর জমে থাকা ডেড স্কিন সেলস রিমুভ করতে হেল্প করে, ফলে রাফনেস আর ফ্লেকিনেস কমে যায়।
ব্ল্যাকহেডস আর হোয়াইটহেডস হওয়া কমায় – পোরসের ভিতরে জমে থাকা অতিরিক্ত অয়েল আর ময়লা পরিষ্কার রাখতে হেল্প করে, ফলে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
অতিরিক্ত অয়েল কন্ট্রোল করে – সারাদিন স্কিনের বাড়তি তেল কিছুটা ব্যালেন্স রাখতে সাহায্য করে, তবে স্কিনের ন্যাচারাল ময়েশ্চার কেড়ে নেয় না।
পরের প্রোডাক্টগুলো ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে – স্কিনকে প্রেপ করে আর pH ব্যালেন্স করতে হেল্প করে, ফলে পরে ব্যবহার করা সিরাম আর ময়েশ্চারাইজার আরও ভালোভাবে অ্যাবজর্ব হয়।
জ্বালাপোড়া আর লালচেভাব কমাতে হেল্প করে – এতে থাকা Willow Bark Water আর Apple Water স্কিনকে শান্ত রাখতে আর ইরিটেশন কমাতে সাহায্য করে।
ডাল আর ক্লান্ত দেখানো স্কিনকে একটু ব্রাইট করে – ধীরে ধীরে স্কিন সেল টার্নওভার বাড়াতে হেল্প করে, ফলে সময়ের সাথে স্কিন আরও উজ্জ্বল আর ইভেন-টোনড দেখাতে পারে।
COSRX AHA/BHA Clarifying Treatment Toner Ingredients
COSRX AHA/BHA Toner-এর ফর্মুলাটা একদম সিম্পল আর মিনিমাল। এতে মোট ১১টা ইনগ্রেডিয়েন্ট আছে। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো এতে কোনো হেভি ফিলার, ফ্র্যাগরেন্স, প্যারাবেন বা সালফেট নেই, তাই সেনসিটিভ স্কিনের সাথেও বেশ ভালোভাবে মানিয়ে যায়।
এক্সফোলিয়েটিং আর বোটানিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস
Water / Jeju Mineral Water – এটা টোনারের মূল বেস। অন্য সব ইনগ্রেডিয়েন্টকে ভালোভাবে মিশে থাকতে সাহায্য করে আর স্কিনে হালকা হাইড্রেটিং ফিল দেয়।
Salix Alba (Willow) Bark Water (10%) – এটা একটা সুতিং বোটানিক্যাল এক্সট্র্যাক্ট, যেটা ন্যাচারাল স্যালিসাইলেটের সোর্স। স্কিনের ইরিটেশন আর ইনফ্ল্যামেশন কমাতে হেল্প করে, পাশাপাশি পোরসের ভিতরে জমে থাকা ডেড সেলস পরিষ্কার করতেও সাহায্য করে।
Pyrus Malus (Apple) Fruit Water (10%) – আপেল থেকে পাওয়া এই বোটানিক্যাল ওয়াটারে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর ন্যাচারাল AHA (Malic Acid) থাকে। এটা স্কিনের উপর জমে থাকা ছোট ছোট ফ্লেকস আর রাফনেস কমাতে সাহায্য করে।
Glycolic Acid (0.1%) – এটা খুবই পরিচিত একটা AHA। তবে এখানে পরিমাণ এত কম যে এটা কোনো স্ট্রং এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে না। বরং ডেইলি ইউজের জন্য স্কিনকে আলতোভাবে স্মুথ করে আর নতুন স্কিন সেল আসার প্রসেসকে সাপোর্ট করে।
Betaine Salicylate (0.1%) – এটা Salicylic Acid-এর তুলনায় অনেক বেশি জেন্টল একটা K-Beauty BHA। এটা পোরসের ভিতর পরিষ্কার রাখতে, ব্ল্যাকহেডস কমাতে আর অতিরিক্ত অয়েল জমা হওয়া কমাতে হেল্প করে, কিন্তু স্কিনকে ড্রাই করে না।
💧 হাইড্রেশন আর স্কিন ব্যারিয়ার সাপোর্ট
Butylene Glycol – এটা একটা হিউমেকট্যান্ট, মানে বাতাস থেকে ময়েশ্চার টেনে এনে স্কিনে ধরে রাখতে সাহায্য করে। একই সাথে পুরো ফর্মুলাটাকে স্মুথ আর হালকা রাখতেও কাজ করে।
Sodium Lactate – এটা Lactic Acid-এর সল্ট ফর্ম। স্কিনের ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজিং ফ্যাক্টরের (NMF) অংশ হিসেবে কাজ করে এবং স্কিনকে ভালোভাবে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
Allantoin – স্কিনকে নরম রাখতে, লালচেভাব কমাতে আর ইরিটেশন শান্ত করতে দারুণ কাজ করে। ছোটখাটো স্কিন ড্যামেজ রিপেয়ার হতেও সাহায্য করে।
Panthenol (Vitamin B5) – এটা খুব ভালো একটা ব্যারিয়ার-সাপোর্টিং হিউমেকট্যান্ট। স্কিনের ভিতরে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে স্কিন প্লাম্প, শান্ত আর ময়েশ্চারাইজড থাকে।
🛡️ স্ট্যাবিলাইজার আর প্রিজারভেটিভস
1,2-Hexanediol – এটা মাল্টি-ফাংশনাল ইনগ্রেডিয়েন্ট। স্কিনকে কন্ডিশন করে আর একই সাথে পুরো ফর্মুলার শেল্ফ লাইফ ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
Ethyl Hexanediol – এটা একটা মাইল্ড কসমেটিক সলভেন্ট, যেটা ফর্মুলাকে স্ট্যাবল রাখে এবং ইনগ্রেডিয়েন্টগুলো যাতে সহজে ভেঙে না যায় সেটা নিশ্চিত করে।
Full Ingredients : Mineral Water, Salix Alba (Willow) Bark Water, Pyrus Malus (Apple) Fruit Water, Butylene Glycol, 1,2-Hexanediol, Sodium Lactate, Glycolic Acid, Water, Betaine Salicylate, Allantoin, Panthenol, Ethyl Hexanediol
কারা ব্যাবহার করতে পারবে এবং এটা কি সেফ ?
COSRX AHA/BHA Clarifying Treatment Toner প্রায় সব ধরনের স্কিনের জন্যই বেশ সেফ, বিশেষ করে সেনসিটিভ আর অ্যাকনে-প্রোন স্কিনের জন্য। কারণ এতে AHA আর BHA-এর পরিমাণ একদমই কম (0.1% AHA আর 0.1% BHA), তাই এটা কোনো হার্শ কেমিক্যাল পিলের মতো কাজ করে না। বরং ডেইলি ইউজের জন্য খুব জেন্টল একটা রি-টেক্সচারাইজিং টোনার হিসেবে কাজ করে।
👤 কারা এটা ইউজ করতে পারবে?
অ্যাসিড ইউজ করা নতুনদের জন্য – যারা প্রথমবার কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েশন রুটিনে যোগ করতে চান, তাদের জন্য এটা দারুণ একটা অপশন। হাই-স্ট্রেংথ সিরামের মতো অত বেশি পার্জিং বা বার্নিং হওয়ার ভয় থাকে না।
সেনসিটিভ স্কিন হলে – যাদের সাধারণ Salicylic Acid বা Glycolic Acid ইউজ করলে স্কিন লাল হয়ে যায় বা জ্বালাপোড়া করে, তারাও সাধারণত এই ফর্মুলাটা সহজে সহ্য করতে পারে।
অয়েলি আর কম্বিনেশন স্কিন হলে – যাদের পোরস একটু কনজেস্টেড থাকে, দুপুরের দিকে মুখে বেশি তেল আসে, ছোট ছোট হোয়াইটহেডস হয় বা স্কিনে হালকা বাম্পস থাকে, তাদের জন্য এটা ভালো কাজ করতে পারে।
ডাল আর ফ্লেকি স্কিন হলে – স্কিনের শুকনো ফ্লেকস আর রাফ প্যাচগুলো ধীরে ধীরে স্মুথ করতে সাহায্য করে, ফলে মেকআপও আরও সুন্দরভাবে বসে।
🛡️ এটা কি সেফ?
ডেইলি ইউজ করা যাবে? – সকালে আর রাতে দুই সময়ই ডেইলি ইউজ করা নিরাপদ। ডিপ কেমিক্যাল পিলের মতো এটা স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ করে না, যদি নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়।
সানস্ক্রিন লাগানো লাগবে? – এক্সফোলিয়েটিং অ্যাসিড স্কিনকে সূর্যের UV রশ্মির প্রতি একটু বেশি সেনসিটিভ করে তোলে। তাই দিনের বেলা এটা ইউজ করলে SPF 50 বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করতেই হবে।
প্রেগন্যান্সি আর ব্রেস্টফিডিংয়ের সময়? – যদিও এতে থাকা অ্যাসিডের পরিমাণ খুবই কম এবং সাধারণ 2% সেফটি থ্রেশহোল্ডেরও নিচে, তারপরও COSRX-এর অফিসিয়াল গাইডলাইনে প্রেগন্যান্সি আর ব্রেস্টফিডিংয়ের সময় এটা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এতে Betaine Salicylate (BHA) আর Willow Bark Water আছে। তাই ব্যবহার করার আগে নিজের ডাক্তারের সাথে কথা বলে নেওয়া ভালো, অথবা চাইলে একটা পিওর হাইড্রেটিং টোনার বেছে নিতে পারেন।
ফাঙ্গাল অ্যাকনে থাকলে? – এই ফর্মুলাটা পুরোপুরি অয়েল-ফ্রি এবং Malassezia (ফাঙ্গাল অ্যাকনে)-সেফ। তাই যাদের ফাঙ্গাল অ্যাকনের ছোট ছোট বাম্পস হওয়ার প্রবণতা আছে, তাদের জন্যও এটা ভালো একটা অপশন হতে পারে।
কখন এবং কিভাবে ব্যাবহার করতে হয় ?
কখন ইউজ করা যাবে?
রুটিনের কোন স্টেপে? – ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার পর, আর Essence, Serum বা Moisturizer লাগানোর আগে এটা ইউজ করতে হবে।
কতবার ইউজ করা যাবে? – দিনে ১ থেকে ২ বার, মানে সকালে আর/অথবা রাতে ইউজ করা যাবে।
যদি স্কিন খুব সেনসিটিভ হয় – তাহলে শুরুতে রাতে সপ্তাহে ৩–৪ দিন ইউজ করুন। স্কিন ভালোভাবে মানিয়ে গেলে ধীরে ধীরে ডেইলি ইউজে চলে যেতে পারেন।
কিভাবে ইউজ করতে হবে?
স্কিনের প্রয়োজন অনুযায়ী দুইভাবে এটা ইউজ করা যায়।
Method 1: Daily Swipe (টেক্সচার স্মুথ করা আর অয়েল কন্ট্রোলের জন্য সবচেয়ে ভালো)
Step 1: ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে আলতো করে শুকিয়ে নিন।
Step 2: একটা পরিষ্কার কটন প্যাডে টোনার স্প্রে করুন, যেন প্যাডটা হালকা ভিজে যায়।
Step 3: কটন প্যাডটা মুখের মাঝখান থেকে বাইরের দিকে আলতোভাবে সোয়াইপ করুন।
Step 4: চোখের আশেপাশের অংশ আর ঠোঁটে যেন না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
Step 5: ৩০–৬০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন যাতে টোনারটা স্কিনে ভালোভাবে অ্যাবজর্ব হয়ে যায়। এরপর পরের স্কিনকেয়ার স্টেপে চলে যান।
Method 2: Direct Mist (দ্রুত হাইড্রেশনের জন্য সবচেয়ে ভালো)
Step 1: ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে শুকিয়ে নিন।
Step 2: চোখ আর মুখ বন্ধ করে বোতলটা মুখ থেকে প্রায় ২০ সেন্টিমিটার দূরে ধরে ২–৩ বার স্প্রে করুন।
Step 3: পরিষ্কার হাত দিয়ে আলতো করে প্যাট করুন, যতক্ষণ না পুরোটা স্কিনে মিশে যায়।
⚠️ কিছু জরুরি টিপস
সানস্ক্রিন মাস্ট – AHA থাকার কারণে স্কিন সূর্যের আলোতে একটু বেশি সেনসিটিভ হয়ে যেতে পারে। তাই সকালে ইউজ করলে অবশ্যই SPF 50 বা তার বেশি ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন লাগাতে হবে।
একসাথে কিছু প্রোডাক্ট মিক্স না করাই ভালো – একই রুটিনে এই টোনারের সাথে হাই-স্ট্রেংথ Retinol, Pure Vitamin C বা খুব স্ট্রং প্রেসক্রিপশন অ্যাকনে ট্রিটমেন্ট ইউজ না করাই ভালো। না হলে স্কিন ব্যারিয়ার ড্রাই বা ইরিটেটেড হয়ে যেতে পারে।
Country Origin : Made In Korea
Additional information
| Weight | 150ml, 50ml |
|---|














Reviews
There are no reviews yet.